তেহরানের আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা ও বিস্ফোরণের শব্দে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে পড়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানের প্রতিটি শহর এখন উত্তাল। সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরানের শাসনব্যবস্থা গণতান্ত্রিক মোড়ক ধারণ করলেও বাস্তবে চূড়ান্ত ক্ষমতা খামেনির হাতে। প্রেসিডেন্ট ও সংসদ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তারা এককভাবে সক্রিয় নন।
ইরানের আঞ্চলিক এবং বৈদেশিক নীতি পরিচালনার দায়িত্বে আছে ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি), যারা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে জবাবদিহি করে। বিশেষ করে কুদস ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারে মূল ভূমিকা রাখে।
সংকটকালীন সময়ে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মাধ্যমে সামরিক প্রধান, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণ করেন। তবে চূড়ান্ত অনুমোদন সর্বদা সর্বোচ্চ নেতার কাছে পৌঁছায়। এই জটিল ও শক্তিশালী ধর্ম-সামরিক কাঠামোই ইরানের প্রতিরক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকে অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে আলাদা করে তোলে।
বর্তমান হামলার পর, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে সংঘর্ষ ও ধোঁয়ার আড়ালে, ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সর্বোচ্চ নেতা ও তার নিবেদিত সেনাপতিরা।
মন্তব্য করুন