কল্পবিজ্ঞানের বিস্ময়কর সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ নতুন অধ্যায় নিয়ে আবারও বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছে। শুক্রবার একযোগে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে জেমস ক্যামেরনের আলোচিত তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। একই দিনে ঢাকার প্রেক্ষাগৃহেও শুরু হয়েছে ছবিটির প্রদর্শন।
মুক্তির আগেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। সম্প্রতি লন্ডনে অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রদর্শনীতে সেই আগ্রহ রীতিমতো উন্মাদনায় রূপ নেয়। প্রদর্শনী শেষে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া দেখে স্পষ্ট—জেমস ক্যামেরন আবারও তার ভিজ্যুয়াল জাদু দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করতে পেরেছেন।
২০০৯ সালে প্রথম কিস্তি ‘অ্যাভাটার’ মুক্তির পর বিশ্ব সিনেমায় নতুন মাত্রা যোগ হয়। এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া দ্বিতীয় কিস্তি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বক্স অফিসে আয় করে প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নতুন কিস্তিতেও ক্যামেরন বড় পর্দার অভিজ্ঞতাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন।
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে সুলি পরিবার। আগের পর্বে নেটেয়ামের মৃত্যুর শোক তাদের জীবনকে নাড়িয়ে দেয়। সেই শোকের মধ্যেই আসে নতুন সংকট ও নতুন শত্রু। এই কিস্তিতে প্রথমবারের মতো দর্শক পরিচিত হবে ‘আগুন উপজাতি’র সঙ্গে, যা সিনেমায় যোগ করেছে নতুন উত্তেজনা ও সংঘাত।
চলচ্চিত্র সমালোচক মাইকেল লি বলছেন, এই সিনেমার ভিজ্যুয়াল ও অ্যাকশন একেবারে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে শক্তিশালী অভিনয় উপহার দিয়েছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো স্যালদানা, সিগরনি উইভার, স্টিফেন ল্যাং ও কেট উইন্সলেট।
এর আগে প্যারিসে সংবাদ সম্মেলনে জেমস ক্যামেরন জানান, এই পর্বে সুলি পরিবারের সন্তানদের বড় হয়ে ওঠা ও নিজেদের পরিচয় খোঁজার সংগ্রামও উঠে আসবে। নাভি ও ভিন্ন গ্রহের পরিচয়ের দ্বন্দ্ব তাদের জীবনে যেমন আনন্দ আনবে, তেমনি আনবে নানা চ্যালেঞ্জ।
মন্তব্য করুন