দেশের জ্বালানি খাতে বড় এক মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিট অবশেষে কমিশনিং লাইসেন্স পেয়েছে।
এর ফলে দেশের প্রথম ও বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি এখন উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন।
এর আগে, লাইসেন্স জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি লোডিং শুরু করা সম্ভব হয়নি।
গত ৭ এপ্রিল থেকে ফুয়েল লোডিং শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় তা স্থগিত রাখতে হয়।
তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কমিশনিং লাইসেন্স পাওয়ায় সেই বাধা দূর হয়েছে।
এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, রূপপুর প্রকল্পে জ্বালানি লোডিং শুরু হওয়া দেশের পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতে পারে।
আর সব কিছু ঠিক থাকলে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রথম ইউনিট পূর্ণ ক্ষমতায় প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
একই সঙ্গে এটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, কমিশনিং লাইসেন্স পাওয়ার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।
মন্তব্য করুন