ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর তেহরান থেকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এ ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা।
একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানেছিল খামেনির কার্যালয়ের কাছে। তখন থেকেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়াতে শুরু হয় যে, খামেনি নিহত হয়েছেন। এ খবরকে শিগগিরই প্রতিপক্ষ ভুয়া প্রমাণ করতে উপস্থিত হন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আলম জানিয়েছে, খামেনি শিগগিরই জাতির উদ্দেশে সরাসরি ভাষণ দেবেন। এই ঘোষণায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য স্বস্তি পেয়েছেন।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তার হাতে রাষ্ট্রের নির্বাহী, সামরিক এবং আধ্যাত্মিক সব ক্ষমতা ন্যস্ত। তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসসহ অন্যান্য আধাসামরিক বাহিনী তার সরাসরি আস্থা ও আনুগত্যে রয়েছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, খামেনি নিহত হতে পারেন। কিন্তু এখন জানা গেছে, তিনি জীবিত ও সুরক্ষিত অবস্থানে আছেন। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও সামরিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা আক্রমণের জবাবে সব সময় প্রস্তুত এবং শত্রুদের কার্যকলাপের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া জানাবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই উত্তেজনা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
মন্তব্য করুন