ঢালিউডের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু এখনো রহস্যের আড়ালে। মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও তা নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক ও জল্পনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সালমানের মা নীলা চৌধুরী চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন— সালমান শাহ মৃত্যুর পরও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে বেঁচে ছিলেন!
তিনি জানান, “সেদিন ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখি সব কিছু অস্বাভাবিকভাবে পরিপাটি। আজিজ ভাইয়ের ফ্ল্যাটের রিতা আর ইয়াসমিন আমার পথ আটকে দাঁড়ায়। তারা সময় নষ্ট করতে থাকে। অনেক কষ্টে নিচে নামতে পারি।”
নীলা চৌধুরী বলেন, “সালমানের দেহ যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই, তখন কোনো পরীক্ষা ছাড়াই বলা হয় মারা গেছে। ময়নাতদন্তের আগে ইসিজি বা এক্সরে কিছুই করা হয়নি। এমনকি এক সালমান ভক্ত তখন বলেছিল, ‘সালমান তো মরে নাই।’ তখনই ওদের বলা হয় তাড়াতাড়ি সেলাই কর, না হলে তোরও অবস্থা একই হবে।”
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “আমি দেখেছি, সাদা কাপড়ে মোড়ানো সালমানের গায়ে তখনও লাল রক্ত ছিল। মৃত মানুষের শরীরে এমন রক্ত কেন থাকবে? কেন পালস চেক করা হয়নি?”
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের ইস্কাটন প্লাজার একটি ফ্ল্যাটে সালমান শাহকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রথমে এটি আত্মহত্যা বলা হলেও পরিবার বরাবরই দাবি করে আসছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যা।
প্রায় ২৯ বছর পর, সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলা এখন হত্যা মামলায় রূপ নিয়েছে। মামলায় মোট ১১ জন আসামি, যাদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।
মন্তব্য করুন