মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump পরমাণু চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়ার পর জাতিসংঘ মহাসচিব António Guterres-কে লেখা চিঠিতে এ অবস্থান জানায় তেহরান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত চিঠিতে উল্লেখ করেন, ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে ট্রাম্পের বক্তব্য সামরিক আগ্রাসনের বাস্তব ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। আগ্রাসনের শিকার হলে ইরান ‘সিদ্ধান্তমূলক’ জবাব দেবে বলেও জানানো হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিঠিতে ইরান জানায়, তারা এখনও কূটনৈতিক সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যেকোনো অস্পষ্টতা দূর করতে প্রস্তুত। তবে হামলা হলে আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
এদিকে ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, পরমাণু চুক্তি না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে। তিনি দাবি করেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল এবং প্রয়োজন হলে আরও এক ধাপ এগোনো হতে পারে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি পরিষ্কার হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu ইরানকে সতর্ক করে বলেন, আক্রমণ হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি পারস্পরিক হুমকি–পাল্টা হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে।
মন্তব্য করুন