
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের গত কয়েক মাসের অপরাধ দমন, দ্রুত আসামি গ্রেফতার এবং জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতা ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর মাঝে প্রশংসিত হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়।
গত এপ্রিল মাসে শিমরাইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় একই পরিবারের তিনজনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই চাঞ্চল্যকর মামলাটি রুজু হওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একইভাবে মে মাসে লাকী বাজার এলাকায় কিশোর গ্যাং কর্তৃক সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের আসামিকেও দ্রুত গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া ডিএনডি লেকপাড় এলাকায় আরেকটি হত্যার ঘটনা ঘটলে, পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামিকে গ্রেফতার করে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
২০২৪ সালের মে মাস থেকে জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের উদ্যোগে মোট ৫৫৫ জন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩১টি হত্যা মামলার আসামি এবং ৬৭টি মাদক মামলার আসামি। এই সময়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৩১টি দেশীয় অস্ত্র, একটি বিদেশি রিভলভার, তিনটি সোনার গহনা, ২০টি মোবাইল ফোন, ১৯টি পিন ইউএসবি চ্যানেল, ৬০ পিস ইয়াবা, ২০ গ্রাম গাঁজা, ৩০ গ্রাম হেরোইন, ২০ বোতল ফেনসিডিল, ১০ লিটার দেশি মদ এবং তিনটি পুরাতন পিস্তল।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, “আমরা সর্বদা জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনাই আমাদের দায়িত্ব। আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছি।”
স্থানীয়দের মতে, থানার পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি ফোন কল গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকেন। জরুরি মুহূর্তে দ্রুত আসামি ধরার ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসার যোগ্য। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ভূমিকা এক কথায় অনন্য।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের এই ধারাবাহিক সাফল্য আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
মন্তব্য করুন