নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য দেওয়া ৫০ হাজার টাকা ও দলিল ফেরত চাইতে গিয়ে এক কৃষক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. আজাদ।
ভুক্তভোগী কৃষক মো. জহির আলম (৫১), আন্ডারচর ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের বাসিন্দা। রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের পুরাতন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
জহির আলম জানান, মাইজচর এলাকায় তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তির পরিমাণ ২ একর ৯০ শতক। বহুদিন ধরে তাঁরা জমিটি ভোগদখলে ছিলেন। পরে ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মনসুর আহমেদ মায়া বর্গা দেওয়ার নাম করে জমিটি দখলে নেন। এরপর সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মো. আজাদ তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও জমির দলিলপত্র নেন, কিন্তু দীর্ঘদিনেও সমস্যার সমাধান না করে আজাদ মোবাইল নম্বর ব্লক করে দেন।
ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা শনিবার (১৯ এপ্রিল) ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
মন্তব্য করুন