
নারায়ণগঞ্জ জেলা বন্দর থানাধীন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে ঢাকা চিটাগাং হাইওয়ে রোডের সংযোগ সড়ক একটি এর মাঝে মুন্সিগঞ্জ ও দক্ষিনাঞ্চলের ও যাতায়াতের ব্যবস্থা এই মদনপুর টু মদনগঞ্জের সড়কটি।
গত সরকারের আমলে ৫৪ কোটি টাকা নির্মান করা হয় মদনপুর টু মদনগঞ্জের সড়টির কাজ।১ বছর সময় পার হতে না হতে দেখা যায় রাস্তার বেহাল অবস্থা দেখার যেন কেউ নেই? দীর্ঘ দিন যাবত সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর টু মদনগঞ্জের সড়কটি।সিমেন্টের গাড়ি চলার কারনে রাস্তার বেশিরভাগই খানা-খন্দে ভরে গেছে। এর ফলে এ রাস্তা যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
(১৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়,ধামগড় ইস্পাহানী বাজার সংলগ্নে ও নবীগঞ্জ টি হোসেন গার্ডেন এর সামনে এবং বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে বন্দর স্ট্যান্ডে মদনগঞ্জের রাস্তাটি বেশিরভাগই খানা-খন্দে ভরে গেছে। অনেক জায়গার পিচ উঠে মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। খানা-খন্দের মধ্যেই চলছে যানবাহন।
স্থানীয়দের অভিযোগ,বন্দর উপজেলার ব্যস্ততম রাস্তা একটি স্কুল কলেজ,হাসপাতাল, এমন কি উপজেলা যাওয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রায় হাজার হাজার মানুষ রাজধানী ঢাকা সহ নারায়ণগঞ্জ যাওয়ায় অন্যতম প্রধান সড়ক মদনপুর টু মদনগঞ্জ সড়কটি।ফলে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে স্কুলগামী সবাই এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। প্রতিদিন এ সড়কে কয়েকশ’ যানবাহন চলাচল করে। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।আজ ও তিনটি ট্রাক উল্টে পড়ে রাস্তাটির মাঝে তার জন্য দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন।বন্দর উপজেলা বাসী রাস্তাটি সংস্কার করণের জন্য দাবি জানান । কিন্তু কেউ কোনো কাজ করেননি। কিছু দিন পর পর ইট দিয়ে সংস্কার করলে ও কোন কাজ হচ্ছে না রাস্তাটির। তাই ভোগান্তি নিয়েই এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানান,প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। প্রায় সময়ই গাড়ি দুর্ঘটনা হয় এ রাস্তাতে। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দ্রুত হাসপাতালে ও নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই অনেক ভোগাস্তি নিয়েই আমাদের এ রাস্তা যাতায়াত করতে হয়।
অতি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেন বন্দর উপজেলাবাসী।
জুজা
মন্তব্য করুন