যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছেন, সমতা নিশ্চিতের জন্য তৈরি করা ব্রিটিশ আইনে ‘নারী’ তারাই যাদের ‘জৈবিক লিঙ্গ নারী’ অর্থাৎ যারা শারীরিকভাবে নারী। তবে আদালত বলেছেন, এই রায়ে ট্রান্সজেন্ডাররা কোনো সমস্যায় পড়বেন না।
মূলত এক ট্রান্সজেন্ডার নারীর দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিলেন ও নারীর সংজ্ঞাও নির্ধারণ করে দিলেন। মামলার বিষয়বস্তু ছিল—জেন্ডার রিকগনিশন সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত (জিআরসি) একজন ট্রান্স-নারী ব্রিটেনের ইকুয়ালিটি অ্যাক্টের অধীনে নারী হিসেবে বৈষম্য থেকে সুরক্ষা পাবেন কিনা। জিআরসি হলো একটি আনুষ্ঠানিক নথি যা ব্যক্তির নতুন লিঙ্গকে আইনি স্বীকৃতি দেয়।
যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে জানিয়েছেন, সমতা নিশ্চিতের জন্য যেসব আইন রয়েছে, সেখানে ‘নারী’ বলতে মূলত সেইসব মানুষকেই বোঝানো হয়েছে যারা জৈবিকভাবে নারী, অর্থাৎ জন্মসূত্রে যাদের শরীর নারীর মতো।
স্কটল্যান্ডের মন্ত্রীরা বলেছিলেন, যেসব ট্রান্সজেন্ডার নারীর কাছে লিঙ্গ পরিবর্তনের সরকারি সনদ আছে, তারা আইনত নারী। এই ইস্যুতে স্কটল্যান্ডের একটি আদালতে ফর উইমেন স্কটল্যান্ড হেরে গিয়েছিল। এরপর তারা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। গত নভেম্বরে সেই আপিলের পর সুপ্রিম কোর্ট তাদের পক্ষে রায় দিলেন।
মন্তব্য করুন