জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১৭টিকে আইনে রূপ দিচ্ছে সরকার—এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Salahuddin Ahmed এবং আইনমন্ত্রী Md. Asaduzzaman।
রোববার (১২ এপ্রিল) ব্রিফিংয়ে তারা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাস করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে অধিবেশন থেকে Bangladesh Jamaat-e-Islami-এর ওয়াকআউট নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জামায়াত নিয়ম অনুযায়ী ওয়াকআউট করেছে—এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে বাইরে এসে তারা যেসব অভিযোগ করেছে, তার অনেকগুলোই সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে এতগুলো অধ্যাদেশ পাস করা অত্যন্ত কঠিন। কারণ, কার্যদিবসের সংখ্যা সীমিত ছিল।
মানবাধিকার ও গুম কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কিছু সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়া হয়েছে। বর্তমান সরকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়গুলো সমাধান করতে চায়।
বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা বিষয়গুলোকে রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করছে। সরকার বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায় বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, আইনমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে ৯১টি বিল পাস হয়েছে এবং বাকি বিলগুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা কোনো অস্বচ্ছতা রাখিনি। যারা বলছে সরকার কিছু করেনি, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”
তিনি অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, এক-এগারো সরকারের সময় ১২২টি অধ্যাদেশের মধ্যে মাত্র ৫৪টি আইনে রূপ পেয়েছিল। সেই তুলনায় বর্তমান সরকার ১৩৩টির মধ্যে ১১৭টি আইনে রূপ দিচ্ছে, যা একটি বড় অর্জন।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রীরা আরও জানান, সব অধ্যাদেশ আইনি প্রক্রিয়া মেনেই স্থায়ী আইনে পরিণত করা হচ্ছে এবং জনস্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন