রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হত্যার পেছনে ভাড়াটে শুটার ব্যবহৃত হয়েছে এবং চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মুছাব্বির তার সহকর্মী আবু সুফিয়ান মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। সিটি হোন্ডা সার্ভিস পয়েন্টের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে রেকি করা দু’জন দুর্বৃত্ত গাড়িতে হামলা চালায়। একাধিক গুলি মুছাব্বির ও তার সহযোদ্ধাকে আঘাত করে। হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ৭.৬৫ বোর পিস্তলের তিনটি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান জানান, পুলিশ, র্যাব ও ডিবিসহ একাধিক সংস্থা তদন্তে যুক্ত রয়েছে। হত্যার কারণ হিসেবে চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক বিরোধ ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ অব্যাহত আছে।
মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪–৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ডাকও দেয়া হয়েছে—শনিবার সারাদেশে স্বেচ্ছাসেবক দল হত্যার বিচার দাবিতে কর্মসূচি চালাবে।
মন্তব্য করুন