
বোরোর ভরা মৌসুমে সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য থাকা সত্ত্বেও মিলারদের দাদন বাণিজ্যের কারণে দেশের চালের বাজার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কৃষকের মাঠের ধান ১১০০-১২০০ টাকায় কিনে গুদামজাত করে মিলাররা, পরে সংকটের ভান দেখিয়ে বাজারে চালের দাম বাড়াচ্ছে।
তিন মাস ধরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকায় গরিব নাগরিকদের ক্রয়ক্ষমতা কেঁপে উঠছে। খুচরা বাজারে মোটা জাতের চাল কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা ও সরু চালের কেজি ৯০ টাকায়। কাওরানবাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট ৫০ কেজির বস্তার দাম বেড়ে ৩৯০০ টাকা, নাজিরশাইল ২৫ কেজি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২১৫০ টাকায়।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি গুদামে মোট ২২ লাখ ৮ হাজার ৯২৯ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, যার মধ্যে চাল ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯১৬ টন। তবে মিলাররা কৃষকের ধান কিনে সংকটের ছল দেখাচ্ছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বোরো মৌসুমে চালের দাম বাড়ানো উচিত নয়। এভাবে দাম বাড়ালে নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
মিলাররা যখন দাম বাড়াচ্ছে, তখন সরকার চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে, যা বাজারে আসলে দাম কমে যাবে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অবৈধ দাম বাড়ানোর প্রমাণ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন