
দেশি-বিদেশি শুল্ক বাড়ায় নতুন করে চরম সংকটে পড়েছে দেশের ব্যবসাবাণিজ্য। যুক্তরাষ্ট্র আগামী ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। এতে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৫০ শতাংশ। সরকার কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চালালেও এখনো সমঝোতা হয়নি।
এর মধ্যেই দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সেবার মাশুল ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্ধিত হারে মাশুল কার্যকর হলে বন্দরের বাড়তি আয় হবে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, বেসরকারি ডিপোগুলোর কনটেইনার ব্যবস্থাপনায়ও ৩০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়ছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমন সংকটকালে এই মাশুল বাড়ানো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির নেতা ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘ঝড়ের মধ্যে লঞ্চ ছাড়তে হয় না। এখনই যদি শুল্ক বাড়ে, তাহলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।’
তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানো উচিত নয়। পাশাপাশি শ্রম আইন সংস্কারের সময় নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন