
প্রভাতে আছে -চোরের দশ দিন, গৃহস্থের একদিন। এমনই ঘটনা ঘটলো বন্দরের জাঙ্গাল এলাকার চিহ্নিত পেশাদার চোর ইমরানের বেলায়।
ধৃত চোর ইমরান বন্দরের মদনপুর জাঙ্গাল এলাকার মিন্নাত আলী ছেলে। সে এলাকার একজন চিহ্নিত ও পেশাদার চোর বলে জানা গেছে তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় চুরির মামলার ওয়ারেন্টসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ২৬ শে জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে মদনপুর কেওঢালা এলাকায় মৃত আহসানুল্লাহ মিয়ার ছেলে কামরুজ্জামানের ঘরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চুরি করতে গেলে হাতেনাতে ধরা পড়ে চোর ইমরান। এলাকাবাসীসহ উক্ত বাড়ির লোকজন তোর ইমরানকে ধরে আটক রেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়।
অপরদিকে ইমরানের চাচা সগীর ছেলে শরিফ সহ কয়েকজন স্বজন জানতে পেনে চোর ইমরানকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং চুরি করতে আসা বাড়ির মালিক কামরুজ্জামানকে মারধর করে।
এ ঘটনায় শুক্রবার ২৭ জুন সকালে কামরুজ্জামান বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি আরো উল্লেখ্য করেন, প্রায় ছয়মাস পূর্বেও ইমরান আমাদের বাড়িতে চুরি করে স্বর্ণলতা নিয়ে গেছি। সঠিক কোন প্রমাণ না থাকায় আমরা তাকে কিছু বলিনি ও মামলাও করিনি। বৃহস্পতিবার হাতেনাতে দাঁড়ানো ছুড়িসহ চোর ইমরানকে জনতা সহায়তায় আটক করি। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায় এবং পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি তার নামে থানায় চুরির ওয়ারেন্ট রয়েছে। ইমরান একজন পেশাদার চোর ও ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় ও পুলিশের কাছে পরিচিত। এদিকে ইমরানের পক্ষ নিয়ে তার স্বজনরা আমাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি।
শুক্রবার দুপুরে চোর ইমরানকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন