শুক্রবার সকাল, ছুটির দিন, তাই একটু সময় পেয়ে বাজার ঘুরেছেন কলেজ শিক্ষক মাকসুদা খাতুন। তিনি মিরপুরের বাজারে গিয়ে দেখেন এক আঁটি লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। তবে শাকের পরিমাণ আগের মতো নেই, আঁটিতে আগাছার অংশ বেশি। দুই থেকে তিনজনের জন্য দুই আঁটি কিনতে হচ্ছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, পুঁইশাক ৫০–৬০ টাকা, ডাটাশাক ২০–৩০ টাকা, কলমি শাক ২০ টাকা, লাল শাক ২৫–৩০ টাকা, লাউশাক ৪০–৬০ টাকা, পাটশাক ২০–২৫ টাকা এবং কচুশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষার কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় শাকের উৎপাদন কমেছে। ক্রেতারা মনে করছেন কার্যকর বাজার নজরদারির অভাবেই দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
হাতিরপুলের বিফ মার্কেট সংলগ্ন কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী সজীব আহমেদ জানান, বর্ষার সময়ে শাকের দাম সাধারণত বেশি থাকে। সকালে দাম বেশি থাকে কারণ তখন বিক্রি ভালো হয়, দুপুরে দাম কমে যায়। রামপুরা বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন বলেন, শাকের দাম অতিরিক্ত বাড়েনি, পুঁইশাক অনেক দিন ধরেই ৪০–৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাজীপাড়ার ফুটপাতসংলগ্ন অস্থায়ী বাজারের ব্যবসায়ী শরীফ উদ্দিন বলেন, এক আঁটিতে কতটুকু শাক থাকবে, তার কোনো নিয়ম নেই। দুই-তিনটা বেঁধে দেওয়া পুঁইশাকও ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অথচ তা দিয়ে একবেলা রান্নাই হয় না।
ক্রেতারা বলছেন, বাজারে সব পণ্যের দাম বেড়েছে, তাই এখনই সরকারের কার্যকর নজরদারি জরুরি।
মন্তব্য করুন