ঈদ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে আজ মঙ্গলবার। সোমবার ছিল সরকারি দপ্তরের শেষ কর্মদিবস। এদিন বিকেলের পর থেকে রাজধানীর বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে টার্মিনালগুলোতে ভিড় উপচে পড়েছে।
পরিবহণ বিভাগের উদ্যোগে বাড়তি ট্রিপ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন ছিল। সড়ক, রেল ও নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং নৌ-প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন। এসব কারণে যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য ভোগান্তি দেখা যায়নি।
তবে অনেক বাসে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, আগে ২২০ টাকায় যাওয়া রুটে এখন ২৫০ থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। লঞ্চ সার্ভিসও ঈদে বিশেষ ট্রিপ চালু করেছে। সদরঘাট থেকে বিকাল ৮টা পর্যন্ত ৫৪টি লঞ্চ ছাড়েছে। নতুনভাবে চালু করা হয়েছে বছিলা ও শিমুলিয়া টার্মিনাল।
রেলওয়েতে পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত স্বাভাবিক। স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন নির্ধারিত সময়ের দেরিতে ছাড়লেও যাত্রীরা স্বস্তির সঙ্গে ট্রেনে উঠছেন। কমলাপুর স্টেশনে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে এবং শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রি করা হয়েছে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ কমাতে নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়েছে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে হুইলচেয়ার ও ট্রলি সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
তবে কিছু পরিবহণ সংস্থাকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে। মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে রাস্তায় ও টার্মিনালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সবমিলিয়ে, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও সুসমন্বিত করতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েছে।
মন্তব্য করুন