
কুমিল্লা নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন চকবাজার–সুয়াগাজী আঞ্চলিক সড়কের গোয়ালমথন থেকে শুরু করে মহিশপুর রাস্তার মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়কের দুই পাশে গজিয়ে ওঠা ঘন ঝোপঝাড় ও লতাগুল্ম জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছিল। ঝোপঝাড়ের কারণে সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়ায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল। এমনকি সন্ধ্যার পর এ এলাকায় ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনাও বেড়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
উল্লেখযোগ্য এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর দিকনির্দেশনায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ। তাঁর নেতৃত্বে ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা সম্প্রতি ঝোপঝাড় পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সকাল থেকে শুরু করে ওই সড়কের প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তার ২পাশ পরিষ্কার করে কাজ সমাপ্ত করেছেন তারা। এতে সড়কটির আগের রূপরেখা ফিরে আসে এবং চলাচলের উপযোগী হয়।
এ বিষয়ে ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ বলেন,গোয়ালমথন থেকে মহিশপুর পর্যন্ত রাস্তার ২ পাশে ঝোপঝাড়ের কারণে ডাকাতি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত ছিলো।আজ ৩য়দিনে আমরা ২৬নংওয়ার্ডের মহিশপুর এরিয়া পর্যন্ত ঝোপঝাড় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করি।এলাকার স্হানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে আমাদের এই কাজটি করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা পর্যায়ক্রমে এলাকার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান খাল ও অলিগলি পরিষ্কার করারও কাজ হাতে নিয়েছি।সামনের দিনেও আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের দুই পাশে লতানো গাছপালা ও ঝোপঝাড় এতটাই ছড়িয়ে পড়েছিল যে, অনেক স্থানে গাড়ির পাশ কাটিয়ে চলাও কঠিন হয়ে উঠেছিল। এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকেই যায়। সড়ক পরিষ্কারের এ উদ্যোগে তাঁরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
দেখা যায়, নেতাকর্মীরা শুধু ঝোপঝাড় পরিষ্কারই করেননি, তা নির্দিষ্ট স্থানে সরিয়েও নিয়েছেন। এতে গোটা সড়কের চিত্র বদলে
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন,যুবদল নেতা রিয়াদ, শরীফ,শ্রমিকদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা আলম সহ আরো অনেকে।
এ ধরনের নাগরিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর মাঝে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে এবং অন্যান্য সংগঠনের জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে
মন্তব্য করুন