
২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরগুনায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় রোগটিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। একই নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৪২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৯০২ জন।
বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের সাবেক মহিলা মেম্বার পারভীন ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। বরগুনার সোনাখালী গ্রামের বাদল তালুকদারের স্ত্রী লাকী আক্তার। তিনিও ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনা সদর উপজেলায় ৩৮ জন ও বামনায় ৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ১৬২ জন। এদের মধ্যে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ১১৪, আমতলীতে ১, বেতাগীতে ২, বামনায় ১৪, পাথরঘাটায় ১৪ এবং তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জন চিকিৎসাধীন। এখন পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলায় ৪ হাজার ১৬৬, তালতলীতে ১১৭, বামনায় ১৮২, বেতাগীতে ৬১, আমতলীতে ৬০ এবং পাথরঘাটা উপজেলায় ৩১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ৩৯ জনের মধ্যে ৩১ জনের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়, ৩ জনের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলায় এবং ৫ জনের বাড়ি বেতাগী উপজেলায়। এ বিষয়ে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ‘বরগুনায় দিন যত বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ততই বাড়ছে। কিছুতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এমনিতেই এখন আমাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে বেগ পেতে হচ্ছে। এরকম পরিস্থিতি চলতে থাকলে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।’
তিনি স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক পরিসরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার তাগিদ দেন। এদিকে কর্নেল অবঃ রশিদ খান বরগুনার বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য সেলাইন বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন