নয়াবাজার বাস পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, ‘সানাউল্লাহ’ নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রতিদিন নয়াবাজার থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং শ্রীনগর এলাকা থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হচ্ছে। একই সঙ্গে ‘সেলিম’ ও ‘আলাউদ্দিন’ নামেও পৃথকভাবে টাকা সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, মালিক-শ্রমিক সংগঠনের বাইরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে মিনিবাস থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয় এবং এর ফলে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ে সাধারণ যাত্রীদের ওপর—ভাড়া বাড়ছে নীরবে, অথচ অধিকাংশ যাত্রী প্রকৃত কারণ জানেন না।

পরিবহন সংশ্লিষ্ট একাধিক গবেষণা ও তদন্ত প্রতিবেদনে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি, কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততার বিষয় উঠে এসেছে। তবে নয়াবাজারের নির্দিষ্ট এই অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী আপডেটে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন