ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু আসনে বেশি এবং কিছু আসনে কম বডি ওর্ন ক্যামেরা বসানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিতে এ ধরনের বৈষম্য করা হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় জোটের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে—পুলিশের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোথায় কত সংখ্যক বডি ওর্ন ক্যামেরা বসানো হবে তা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত পুনরায় যাচাই করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগও তুলে ধরেন জুবায়ের। সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াতের এক নেতাকে আটকের ঘটনাকে উদ্দেশ্যমূলক হয়রানি বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নেতা বৈধ ব্যবসায়িক কারণে নগদ অর্থ বহন করছিলেন এবং এতে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি।
এ ছাড়া কুমিল্লা-৪ আসনে এক বিএনপি নেতার হুমকিমূলক বক্তব্যের বিষয়েও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন জামায়াত নেতারা।
মন্তব্য করুন