
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় দৈনিকের সাংবাদিক বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীর দাবি, সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছে।
রোববার (২০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাপসী রাবেয়া বসরি ছাত্রী হলের কর্মকর্তা বরুণ কুমার দে এক নারী সহকর্মীর বাসায় অবস্থান করছিলেন—এমন খবর পেয়ে সাংবাদিক বাকি বিল্লাহ ও তার বন্ধু যাবের আকন সেখানে যান। এরপর শুরু হয় তুমুল বাকবিতণ্ডা।
প্রতক্ষ্যদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলামকে ডেকে এনে তারা একসঙ্গে ঘরে প্রবেশ করেন। এই সময়কার একটি ২২ মিনিটের অডিও ক্লিপ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে, যেখানে চাঁদা দাবি ও বিবাদে জড়ানোর আলাপ উঠে আসে।
অডিওতে বরুণ কুমার দে’কে নিজ বক্তব্যে একাধিকবার পরিবর্তন করতে শোনা যায়। একবার বলেন, “ওয়াশরুম করতে এসেছি”, আবার বলেন, “নারী সহকর্মীর অনুরোধে চিঠি আনতে এসেছি।” অপরদিকে নারী কর্মকর্তা দাবি করেন, তার ছুটি মওকুফের চিঠি ভুলে ফেলে আসায় ঐ কর্মকর্তাকে বাসায় গিয়ে আনার অনুরোধ করেছিলেন।
তবে বরুণ কুমার দে অভিযোগ করেন, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তাকে ১ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বলা হয়। এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলামও। তিনি বলেন, সাংবাদিক বাকি বিল্লাহ তাকে মীমাংসার বিনিময়ে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে বরুণ তাতে রাজি হননি।
অন্যদিকে সাংবাদিক বাকি বিল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন