রাজধানী বাংলাবাজার শাখায় কর্মরত সোনালী ব্যাংকের এজিএম মো: ইদ্রিস পিতা:আসাদুল হক মাতা:জাহানারা এর বিরুদ্ধে মামলা করেন এক নারী।সুএ মতে,জানা গেছে গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে নারী ও শিশু আদালত-০১ ঢাকায় মামলা করেন সানজিদা আক্তার পপি নামে এক নারী। উক্ত দায়ের কৃত মামলায় বিবরণ সুএে জানা গেছে,ব্যাংক কর্মকতা ইদ্রিস এর সাথে মামলার বাদী সানজিদা আক্তার পপি নামে ঐ নারীর সাথে পরিচয় হয় এবং পরিচয়ের এক পর্যায়ে বাদীনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার নেওয়ার পর থেকেই তাদের দুইজনের মধ্যে প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয়।
এক পর্যায়ে মামলার বাদী পপি আক্তারকে অভিজাত কোম্পানি শোরুমে চাকুরী দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করে। সেই সুবাদে গত ০৯/০২/২০২৬ ইং তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী ভিক্টোরিয়া পার্কে পপি আক্তারকে ডাকেন ব্যাংক কর্মকতা ইদ্রিস এবং চাকুরী দেওয়ার কথা বলে কৌশলে একটি বাড়িতে নিয়ে যান। তখন ইদ্রিস সাহেব বলেন চাকুরীর ব্যাপারে যার সাথে কথা হয়েছে তার আসতে একটু দেরী হবে বলে সেই সুযোগে ঐ নারীকে প্রান জুস এর সাথে চেতনানাশক দ্রব্য ক্লোরোফর্ম মাধ্যমে পান করালে পপি আক্তার অচেতন হয়ে পড়লে পপির শরীরে বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গা হাত দেয় কয়েক মিনিটে মধ্যে পপির জ্ঞান ফিরলে যখন বুঝতে পারে তখনি চিৎকার করলে ব্যাংক কর্মকর্তা ইদ্রীস পপি আক্তারকে অনুরোধ করে শ্লীলতাহানি বিষয়টি কাউওকে না জানানোর জন্য। এদিকে পরবর্তীতে সানজিদা আক্তার পপি বাসায় এসে পরিবারকে ব্যাংক কর্মকর্তা ইদ্রিসের মাধ্যমে শ্লীলতাহানি বিষয়টি জানায় পরে পরিবারকে সাথে নিয়ে রাজধানী কোতয়ালী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃকপক্ষ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে শরণাপন্ন হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।
পরে সানজিদা আক্তার পপি বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন আইনে লম্পট ব্যাংক কর্মকর্তা ইদ্রিসের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বিষয়টি ব্যাপারে জাটিভির পক্ষ থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা ইদ্রিসের মুঠো ফোনে কথা বললে,তিনি জানায় আমি মামলার বিষয়টি শুনেছি তবে ঐ মহিলার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই. মিথ্যা বানোয়াট মামলা করেছে আমিও তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবো। এ বিষয়ে কোতয়ালী থানায় অফিসার ইনর্চাজ মো: ফয়সাল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান,আসামীকে গ্রেফতারে প্রক্রিয়া অব্যহত আছে।
মন্তব্য করুন