মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সব জাতীয় নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শহীদ জিয়াকে যতই খাটো করার চেষ্টা করা হোক না কেন, তাতে প্রমাণ হয়—তিনি মুক্তিযুদ্ধের এক অনিবার্য ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান হঠাৎ করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং দীর্ঘদিন ধরেই স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন লালন করেছেন। তার লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধেও সেই চিন্তার প্রতিফলন পাওয়া যায়।
তারেক রহমান অতীতের গুরুত্ব স্বীকার করলেও সতর্ক করে বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া যাবে না, তবে অতিরিক্ত অতীতচর্চা ভবিষ্যতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন