মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে দেশের জ্বালানি খাতে। তীব্র তেল সংকটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি।
পেট্রল পাম্পগুলোতে তেল নিতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন এখন নিত্যদিনের দৃশ্য। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পেশাজীবী ও পরিবহন খাতেও তৈরি হয়েছে বড় ধরনের চাপ।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাননি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে—দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে এবং পর্যাপ্ত মজুতও আছে।
সরকার জনগণকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুত না করার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ অতিরিক্ত কেনাকাটা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সব মিলিয়ে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি থাকলেও মাঠের বাস্তবতায় ভোগান্তি বাড়ছে—যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে।
মন্তব্য করুন