ইরানের সামরিক সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি বলেন, দেশটির এখন কার্যকর নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী কিংবা আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা নেই।
হোয়াইট হাউজে জার্মানির চ্যান্সেলর Friedrich Merz-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ইরানে সামরিক হামলা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে তার ধারণা ছিল, তেহরান আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা আলোচনা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা আমাদের ওপর আগে হামলা চালাতে যাচ্ছিল। আমি সেটা হতে দিতে চাইনি।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পরিস্থিতির চাপে ইসরায়েল হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ‘এই কারণে যদি কিছু হয়ে থাকে, আমার কারণেই হয়তো ইসরায়েল পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।’
ইরানের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তিকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য বিবেচনায় রাখা হয়েছিল, তাদের অনেকেই এখন নিহত। ফলে খুব দ্রুত বিকল্প নেতৃত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
এ সময় যুক্তরাজ্য ও স্পেনের প্রতিও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, ভারত মহাসাগরের দিয়োগো গার্সিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি হামলার কাজে ব্যবহারের অনুমতি দিতে শুরুতে লন্ডন রাজি হয়নি।
ট্রাম্পের এ বক্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের সামরিক কাঠামো সত্যিই কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। অন্যদিকে, চলমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন