আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন—ইসি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনে এ সংলাপ শুরু হয়। দেশের নির্বাচনী পরিবেশ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় পুরো দিনজুড়ে।
সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার—সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, জাতিকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকার। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের ভুল–ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে কমিশন এবার আরও শক্তিশালী ও প্রস্তুতভাবে এগোতে চায়। তাই কমিশনের একমাত্র এজেন্ডা—একটি ক্রেডিবল ইলেকশন আয়োজন।
সিইসি জানান, একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন শুধু ইসির দায়িত্ব নয়, বরং সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার। এজন্য তিনি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে ইসির সহযোগী হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা এবং সঠিক তথ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি দুটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেন। প্রথমত—নতুন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে। দ্বিতীয়ত—পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা যেন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পর্যবেক্ষণই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত—জানান সিইসি।
দিনব্যাপী এই সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয়, আস্থা ও দায়িত্ববোধ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশনাররা।
মন্তব্য করুন